বিদেশে উচ্চশিক্ষা কখন ও কিভাবে

বিদেশে উচ্চশিক্ষা কখন ও কিভাবে

আব্রহাম মাসলোর “চাহিদা সোপান” তত্ত্বের মতে মানুষের চাহিদার শেষ নেই। এ কারনেই মানুষ সর্বদা ভালো সুযোগের অনুসন্ধান করে থাকে। বিদেশে উচ্চশিক্ষাও তার ব্যতিক্রম নয়।একজন মেধাবী শিক্ষার্থী সর্বদা তার জানার পরিধির ব্যপ্তি ঘটাতে চায়।যখন দেশের একাডেমিক শিক্ষা ব্যবস্থার তুলনায় বিদেশি শিক্ষা ব্যবস্থা ভালো দেখেন তখন থেকেই মূলত উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের তুলনায় বিদেশে উচ্চশিক্ষাকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। এছাড়াও স্বপ্ন পূরণের তাগিদে শিক্ষাথীরা অস্নাতক বা স্নাতকোত্তরের পর কিংবা কোনো বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি নেয়ার জন্য বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমিয়ে থাকেন।

বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে চাওয়ার পিছনে বিশেষ কয়েকটি কারন বিদ্যমান।তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ হলো : স্বপ্ন পূরণের মাধ্যম, আত্নসমৃদ্ধি অর্জন,পেশাগত কাজে দক্ষতা বৃদ্ধি, বিশ্ব জগৎ সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান, বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ হিসেবে পরিচিত করা।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। এক্ষেত্রে মানুষে মানুষে এর বিভেদ রয়েছে। একজন ব্যক্তির জন্য যে সময়টি উপযুক্ত তা অন্যের জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে। উচ্চশিক্ষার জন্য চাইলে এইচএসসি এর পর পছন্দের বিষয়ের উপর স্নাতক বা স্নাতকোত্তর সম্পূর্ণ করতে পারে। আবার নির্ধারিত বিষয়ের উপর ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের জন্যও উচ্চশিক্ষা গ্রহন করতে পারেন। তবে এইচএসসি এর পর থেকেই এর জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করা উত্তম।

উচ্চশিক্ষার জন্য প্রথমেই প্রয়োজন হয় মানসিক প্রস্তুতির। প্রথমত এর জন্য শিক্ষার্থীকে নিজের পছন্দের দেশ নির্ধারন করতে হবে।এর পাশাপাশি ভাষাগত দক্ষতাও আয়ত্ত করতে হবে।ভাষাগত দক্ষতা প্রমানের জন্য IELTS বা TOFEL খুবই কার্যকরি। দ্বিতীয়ত, পছন্দ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় নির্ধারন করে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক নির্ধারিত ফলাফল অর্জন করতে হবে। ইন্জিনিয়ারিং অনুষদের জন্য GRE এবং ব্যবসায় ও মানবিক বিষয়ে পড়ার জন্য GMAT পরীক্ষার ফলাফল অপরিহার্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ, ফান্ডিং, আর্থিক প্রমাণপএ জোগাড় করে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য একজন শিক্ষার্থী পারি জমাতে পারেন তার স্বপ্নের দেশে।

বিদেশের মাটিতে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজ দেশের পাঠানো এক এক জন রাষ্ট্র দূত।তাই এই ক্ষেত্রে সবার দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।